সোমবার, ১৮ মে ২০২৬, ০৩:২৩ অপরাহ্ন

সর্বশেষ সংবাদ :
সংবাদ প্রকাশের পর মাদকের বিরুদ্ধে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন জর্দা শামীম ও আরিফের জামিন নামঞ্জুর, আরিফের রিমান্ড মঞ্জুর নগরীর বগুড়া রোড এলাকায় বেড়েছে মাদকের বিস্তার কাঁঠালিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় হাসিবুল হোসেন বাবু যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের ইয়ংকার্সে যাত্রা শুরু শুরু। ঝালকাঠিতে তিন ইটভাটাকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা জরিমানা অবশেষে আইনের জালে ঝালকাঠির জর্দা শামীম বিদেশি মদসহ রংপুরে গ্রেফতার বরিশালে ছাত্রদলের পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের মহাসড়ক অবরোধ বরিশালে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় খাদ্য সামগ্রী বিতরণ বরিশালে প্রবাসীদের সম্পত্তি দখলের পায়তারা: নেপথ্যে আইনজীবী চাচা ও সৎ মা

ঘূর্ণিঝড় মোখা : বরিশাল বিভাগে প্রস্তুত ৩ হাজার ৯৭৪ আশ্রয়ণকেন্দ্র

নিজস্ব প্রতিবেদক:: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় বরিশাল বিভাগের ৬ জেলায় ৩ হাজার ৯৭৪ আশ্রয়ণকেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। শুক্রবার (১২ মে) দুপুরে সময় সংবাদকে বিষয়টি নিশ্চিত করার সিপিপি বরিশাল অঞ্চলের উপ-পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন মিয়া। উপ-পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন মিয়া বলেন, বরিশাল বিভাগে ৩ হাজার ৯৭৪ টি আশ্রয়ণকেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে বরিশালে ৫৪১, ভোলা ৭৪৬, পটুয়াখালী ৭০৩, ঝালকাঠি ৬২, বরগুনা ৬৪২ আর বাকিগুলো পিরোজপুরে। এসব আশ্রয়ণকেন্দ্রে কয়েক লাখ মানুষ আশ্রয় নিতে পারবে।

এছাড়া তাদের জন্য শুকনো খাবারসহ সব নগর অর্থের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়াও ছয় জেলার প্রশাসনসহ বিভাগীয় কমিশনাররা ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় দিক নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি। বরিশাল জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় বরিশাল জেলায় ৫৪১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। জেলা প্রশাসনের ত্রাণ তহবিলে ৮৯৯ মেট্রিক টন চাল ও ৯ লাখ টাকা মজুদ রয়েছে। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্ত দেয়া হয়েছে।

এসব সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সব সাইক্লোন শেল্টার প্রস্তুত রাখার পাশা পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখা হবে। পর্যাপ্ত শুকনো খাবারের পাশাপাশি পানি বিশুদ্ধকরণ ওষুধ, মোমবাতি, দিয়াশলাই, খাবার স্যালাইন ও প্রাথমিক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ওষুধের ব্যবস্থা রাখা হবে। আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়াও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত বহুতল ভবন, অফিস ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হবে। জেলার সব স্থানে মাইকিং ও আবহাওয়ার সবশেষ তথ্য প্রচার শুরু হয়েছে। পানিসম্পদ রক্ষায় পর্যাপ্ত গো-খাদ্যের ব্যবস্থা করা হবে। সিপিপি, রেড ক্রিসেন্টসহ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হবে। বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। যাতে সেগুলো স্বল্প সময়ের নোটিশে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সাগরে বিচরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন ...




© All rights reserved DailyAjkerSundarban